এ তিন থেকে সাবধান

  • 0

এ তিন থেকে সাবধান

Category : Health Tips

এ তিন থেকে সাবধান

জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ নুরুল ইসলাম

নানা কারনে হৃৎপিন্ডের অসুখ এবং পক্ষাঘাত (Stoke) হয়ে থাকে। আবার কতগুলো কারণে এই ধরনের অসুখের প্রকোপ ‍বৃদ্ধি পায়। যে কয়টি কারণ এই প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। যে কয়টি কারণ এই প্রকোপ বৃদ্ধির মূলে সেগুলোকে এককভাবে বিপদজনক কারণ বলা যেতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল আধিক্য এবং ধুমপান তিনটি প্রধান ‘রিসক ফেক্টর’ বা ঝুকির কারণ। এই তিনটির যেকোন একটি থাকলে হৃদরোগ এবং ‘স্ট্রোক’ এর মাত্রা দ্বিগুন বেড়ে যায়। অন্যদিকে যদি দু টো কারণ এক সাথে থাকে, বিপদের মাত্রা বাড়ে চারগুণ। আর তিনটি থাকলে বিপদের মাত্রা হয় আটগুন। এবার তিনটি মুখ্য ঝুকির কারণ আলাদাভাবে আলোচনা করা যাক।

উচ্চ রক্তচাপ

যে সমস্ত কারণে হৃদপিন্ডে আক্রান্ত হয় কিংবা স্ট্রোক হয় তার মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ প্রথম এবং প্রধান। যদি  স্ট্রোক রোগীর কারণ নির্ণয় করা হয় তাহলে দেখা যাবে তাদের মধ্যে কমপক্ষে শতকরা নব্বই জনেরেই উচ্চ রক্তচাপ আছে। অনেকে হয়ত মনে করে থাকেন উচ্চ রক্তচাপ হলে বিভিন্ন লক্ষণ প্রকাশ পাবে; আসলে কিন্তু তা নয়। অনেক ক্ষেত্রে উ্চচ রক্তচাপের কোন লক্ষণই থাকে না। জটিলতা না থাকলে ধরাও পড়ে না। সে কারণে দেখা গেছে হৃৎপিন্ড আক্রান্ত হওয়ার পর উচ্চ রক্তচাপ প্রথমবারের মতো ধরা পড়েছে। এর আগে এ বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করা হয়নি। ঢাকা সচিবালয়ের সমস্ত লোকের রক্তচাপ জরিপ করে দেখা গেছে শিক্ষিত হলেও তাদের অনেকেই জানতেন না তাদের রক্তচাপ আছে। জানতেন না বলেই অবশ্য চিকিৎসা করা হয়নি। অন্যদিকে অনেক জেনে শুনেও যেহেতু লক্ষণাদি ছিল না অথবা সামান্যতম লক্ষণ ছিল, তাই চিকিৎসায় গাফলতি করেছেন। হয়ত অনিয়মিতভাবে চিকিৎসা করেছেন, অথবা একবারেই করেননি। উভয় ক্ষেত্রেই রক্তচাপের যে প্রতিক্রিয়া শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গের হতে থাকে, তা হতেই থাকে। মস্তিষ্কে, হৃৎপিন্ডে, বৃক্কে এবং শরীরের বিভিন্ন ধমনীর কর্মাকান্ডে জটিলতার সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে সীমিত রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে।

অনেকে মনে করতে পারে উচ্চ রক্তচাপের কারণ বের করে তা নির্মূল করাই উত্তম। আসলে কিন্তু তা নয়। যদি একশ জন উচ্চ রক্তচাপের রোগীর বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা চালান হয়, তাহলে দেখা যাবে মাত্র পাচজনের প্রাথমিক কারণ জানা যায়। অর্থ্যাৎ শতকরা পচানব্বই জনের কোন কারণ জানা যায় না। সেই জন্য এগুলোকে এসেনসিয়াল হাইপারটেনশন’ নামে অভিহিত করা হয়। অনেকে ন্যায় সঙ্গত ভাবেই প্রশ্ন তুলেছেন, এই পাচজন রোগীর প্রাথমিক কারণ নির্ণয়ের জন্য উন্নয়নশীল দরিদ্র দেশে অযথা ব্যয়বহুল পরীক্ষা নিরীক্ষা চালান আদৌ উচিত কিনা। শুধু প্রস্রাব পরীক্ষা করে বৃক্কজনিত কোন দোষ আছে কিনা সাধারণতঃ ধরা যায় এবং জানা কারণগুলোর মধ্যে এটা অন্যতম প্রধান। এছাড়া শারীরিক পরীক্ষা করে কিছু কারণ ধরা যেতে পারে। সুক্ষ পরীক্ষা ব্যয়বহুল অথচ তেমন কাজে লাগে না।

কোন একজন রোগীর রক্তচাপ ধরা পড়লেই ধরে নিতে হবে তার চিকিৎসা নিতান্ত প্রয়োজন। এ চিকিৎসা দু এক দিনের বা দু এক মাসের জন্য নয়; সবসময়ের জন্য। বর্তমানে রক্তচাপ চিকিৎসার যে ওষুধ পাওয়া যায় তাকে সমুচিতভাবে ব্যবহার করলে রক্তচাপও আয়ত্তে আনা সম্ভব। মনে রাখতে হবে, রক্তচাপ যখন আয়ত্তে আনা হয়, শরীরের উপর এর বিরূপ প্রতিক্রিয়াও বন্ধ হয়। অন্যদিকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিলেও চিকিৎসার ফলে সেগুলো আয়ত্তে আনা যায়, প্রশমিত হয়, এমনকি লোপ পেতেও পারে। উচ্চ রক্তচাপের কারণ জানা না থাকলেও কয়েকটি কারণে উচ্চ রক্তচাপের প্রভাব দেখা যায়। যেমন পরিচারে একজনের উচ্চ রক্তচাপ থাকলে অন্যদের থাকার সম্ভাবনা থাকে। উচ্চ রক্তচাপ অনেক সময় পারিবারিক ব্যাধি হিসাবেও দেখা যায়।

খাদ্যদ্রব্য লবণের পরিমাণের সাথে উচ্চ রক্তচাপের সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশে খুলনা অঞ্চলের লোকদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ বেশি বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। জাপান এবং কোরিয়ার খাদ্য দ্রব্য লবণের পরিমাণ বেশি, এছাড়া দক্ষিণ ইরানে যারা বেশি মাত্রায় লবণ ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ বেশি দেখা গেছে। অন্যদিকে মধ্য এবং দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোতে লবণ খুব কম পরিমাণে ব্যবহার করা হয় রক্তচাপের প্রকোপ এই সমস্ত দেশে অনেক কম।

কোলেস্টেরল

রক্তে এই চর্বিজাতীয় পর্দাথের পরিমাণ বেশি হলে ধমনীর গায়ে এটা জমা হয়। ফলে ধমনীর অভ্যন্তরীণ ব্যাসের পরিমাণ এবং সম্প্রসারণ ক্ষমতা লোপ পায় এবং রক্তসঞ্চালন বিঘ্নিত হয়। বিভিন্ন প্রকারের চর্বিজাতীয় পর্দাথ শরীরের রক্তে প্রবাহিত হয়। এদের অনেক নাম থাকলেও শিক্ষিত মহলের কাছে ‘কোলেস্টেরল’ (যা এদের মধ্যে প্রধান) মোটামুটিভাবে একটা পরিচিত নাম।

নানা প্রকারের হরমোন উৎপাদনে কোলেস্টেরল অপরিহার্য। কোলেস্টেরল শুধু খাদ্যদ্রব্যের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে না, যকৃতেও এটা তৈরি হতে পারে। ‘ট্রাইগ্লিসারইড’ ‘ফসফোলিপিড’ প্রভৃতি চর্বি জাতীয় পর্দাথ কোলেস্টেরলের মতোই ক্ষতিসাধন করতে পারে। রক্তে এইসব চর্বি জাতীয় জিনিসকে দ্রবীভূত হওয়ার জন্য প্রোটিন বা আমিষের সাথে সংযুক্ত হতে হয়। এই সংযুক্তির ফলে যে পদার্থের সৃষ্টি হয় তার নাম ‘লাইপোপ্রোটিন’। নানা প্রকার লাইপোপ্রোটিন রক্তে পাওয়া যায়। এগুলোকে প্রধানতঃ ‍দু ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন অল্প ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন এতে প্রধানতঃ কোলেস্টেরল রয়েছে) এবং উচ্চ ঘনত্ববিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন।

কোলেস্টেরল সমৃদ্ধ এই অল্প ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপো প্রোটিণের আধিক্য ধমনীর গায়ে দ্রুত মাত্রায় তৈলাক্ত পদার্থ জমতে সাহায্য করে। কাজেই যাদের শরীরে এর পরিমাণ বেশি তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি, এমনকি তুলনামুলকভাবে অল্প বয়সেও। উচ্চ সমত্ববিশিষ্ট লাইপ্রোটিনের বেলায় ঘটে এর উল্টোটা। এটা বরং ধমনীর গায়ে চর্বি জমার প্রতিবন্ধক এবং এটা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

শরীরে কোলেস্টেরলের আধিক্য প্রধানতঃ দুটো কারণে হয়ে থাকে। একটা বংশগত; অপরটা জন্মের পর বিভিন্ন বিপাকজনিত রোগের কারণে। এ সমস্ত রোগের মধ্যে রয়েছে বহুমুত্র, থাইরয়েড হরমোনের স্বল্পতা, নেফ্রোটিক নিসড্রোম ইত্যাদি। পরিশ্রমবিমুখ, মেদবহুল ব্যক্তি, মদ্যপায়ী, অতিমাত্রায় চর্বিজাতীয় খাদ্য গ্রহণকারীদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকে। পক্ষান্তরে যারা শারীরিক পরিশ্রম করেন, পরিমিত খাবার গ্রহণ করেন এবং উক্ত বিপাকজনিত রোগে আকান্ত নন, তাদের শরীরে উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিনের মাত্রা তুলনামুলকভাবে বেশি থাকে। তাই যাদের শরীরে কোলেস্টেরল মাত্রা বেশি তাদের সাবধান হতে হবে এবং প্রয়োজনবোধ চিকিৎসা করাত হবে।

চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে কনো বিপাকজনিত রোগ থাকলে তার চিকিৎসা করা, মাত্রারিক্ত চর্বিজাতীয় খাদ্য বর্জন ও শারীরিক পরিশ্রম করা। কোলেস্টেরল কমানোর জন্য বিভিন্ন সময় নানা  ওষুধের উপকারিতা দাবি করা হলেও এ পর্যন্ত এমন কোন ওষুধ নেই বললেই চলে। কোলেস্টেরল কম পরিমাণে আছে এ রকম খাবার গ্রহণ করাই উত্তম এবং এটাই কোলেস্টেরল কমানোর মহৌষধ। সম্পৃক্ত  চর্বি শরীরে কোলেস্টেরল বৃদ্ধির সহায়ক। তাই সম্পৃক্ত চর্বি সমৃদ্ধ খাবারের পরিবর্তে অসৃম্পক্ত চর্বি গ্রহণ করা কিছুদিন আগে পর্যন্ত প্রাধান্য পেলেও বর্তমানে বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এটা অধিক পরিমাণে ব্যবহার যুক্তিযুক্ত নয়। অসম্পৃক্ত চর্বি শস্যজাতীয় উপাদান যেমন সয়াবিন, তুলা বীজ, সুর্যমুখী বীজ, ভুট্রা প্রভৃতি থেকে পাওয়া যায়। আয় সম্পৃক্ত চর্বি পাওয়া যায় প্রধানতঃ প্রাণিজ খাবার থেকে। সাধারণভাবে বলতে গেলে যে সব খাবার মাত্রায় বেশি গ্রহণ করা উচিত নয় সেগুলো হচ্ছে চর্বিযুক্ত মাংস, ডিমের কুসুম, মাখন, পনির, ঘি, পুর্ণমাত্রায় দুধ, ডালডা এবং এই সকল উপাদানে তৈরি খাবার।

ধুমপান

ধুমপান কয়েক দিক অন্যত্র আলোচনা করা হয়েছে। হৃৎপিন্ডের উপর এর বিশেষ প্রভাব এখানে বলা প্রয়োজন। কারণ আগেই বলা হয়েছে তিনটি প্রধান রিসক ফেক্টর’ এর মধ্যে এটা অন্যতম।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ধুমপায়ীদের ক্ষেত্রে অধুমপায়ীদের তুলনায় তিনগুন। একবার আক্রান্ত হওয়ার পরও কেউ যদি ধুমপান থেকে বিরত না হন, তার দ্বিতীয়বার হৃৎপিন্ড আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

এর আগে কোলেস্টেরল এর মাধ্যমে ধমণীতে যে পরিবর্তন কথা বলা হয়েছে ধুমপানের ফলে তা বহুলাংশে বেড়ে যায়। কেউ কেউ ফিল্টারযুক্ত দামী বিদেশী সিগারেট পান করে আত্মতৃপ্তি লাভ করেন এবং মনে করেন এতে বিপদ কম। এটা ভুল ধারণা। এর পেছনে কোন বৈজ্ঞানিক যুক্তি নেই।

একটা সিগারেটের ধোয়া শত শত বিষাক্ত পর্দাথের সংমিশ্রণ। যেমন নিকোটিন, কার্বন ডাই অক্সাইড, এমোনিয়া, সায়ানাইড, নাইট্রো বেনজিন, ফিনল ইত্যাদি ইত্যাদি। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি একটা সমীক্ষা চালিয়ে দেখিয়েছে যে ধুমপায়ী ৪৫ থেকে ৫৫ বৎসরের মহিলাদরে হৎপিন্ডের পীড়া এবং স্ট্রোক তাদের সমবয়সী অধুমপায়ীদের তুলনায় দ্বিগুন। কেউ যদি ধুমপায়ী হন এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ব্যবহার করেন,  তাহলে তাদের হৃৎপিন্ড আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় দশগুণ বেড়ে যায়। ত্রিশ থেকে তেতাল্লিশ বৎসর বয়স্ক মহিলাদের বেলায় আমাদের দেশে এই ধুমপান যে কত বিপদজনক তা সহজেই অনুমান করা যায়। জন্মনিয়ন্ত্রণ বটিকা এদেশে প্রচুর ব্যবহৃত হয়। তার উপর যদি কার ঘাড়ে ধুমপানের বদভ্যাস চাপে, তাহলে বিপদের আর সীমা থাকে না।

অনেকে মনে করে থাকেন আমাদের দেশে ধুমপান মেয়েদের মধ্যে তেমন প্রচলিত নয়। গ্রামের মেয়েদের বেলায় এটা খাটে না। এদিকে শহরে অনেক আধুনিকতার হাতে সিগারেট শোভা পায়।

একটুখানি হিসেব করলেই দেখা যাবে ধুমপানের বদভ্যাস বন্ধু বান্ধবদের পাল্লায় পড়ে ছোটবেলা থেকেই শুরু হয়। ‍কোন কোন ক্ষেত্রে বায়োজোষ্টদের অনুসরণের মাধ্যমে ধুমপানের হাতে খড়ি হয়। গ্রামীণ কর্মজীবী মহিলা ও পুরুষ অপুষ্ট শরীরে হাড়ভাঙ্গা খাটুনিতে অল্পে পরিশ্রাণ্ত হয়ে যান। আর  এই ক্লান্তি দুর করার উদ্দেশ্য ধুমপানকে একমাত্র সম্ভল হিসেবে বেছে নেন। ফলে ক্ষতি হয় নিজের এবং তাদের সান্নিধ্যে আসা আর সকলের যদিও তার অধূমপায়ী।

বাংলাদেশের জন্মানর পর একটি শিশুর গড় আয়ু ৫৭ বৎসর। এদেশে এখনও অধিকাংশ শিশু ধুমপানের বয়স আগেই মারা যায়। বাংলাদেশের মহিলাদের মধ্যে ধুমপানের কারণেই অনেক শিশু প্রাণ হারায় বলে এক স্বাস্থ্য রিপোর্টে জানা গেছে। হৃদরোগ ছাড়াও ফুসফুস, মুখগহবর, ও কন্ঠনালীর ক্যান্সার, ক্রনিক ব্রংকাইটিস, যক্ষা, বার্জার্স ডিজিজ (যাতে প্রধানতঃ পায়ে রক্তসঞ্চালন কমে গিয়ে পচন ধরতে পারে), নবজাতকের ওজন স্বল্পতা প্রভৃতি রোগের একটি মৌলিক কারণ ধূমপান।

অপুষ্টি এবং সংক্রামক রোগে এদেশে এখনও প্রচুর মৃত্যু ঘটে বরে হৃদরোগের হার এদেশে তুলনামুলকভাবে কম। তবে ঐ সমস্ত রোগ প্রতিহত করার সঙ্গে সঙ্গে ধুমপান প্রতিহত করতে না পারলে হৃদরোগ এদেশে ভয়াবহ রূপ নেবে, যা বর্তমানে সভ্য দেশগুলোতে মৃত্যুর প্রধান কারন হিসেবে পরিগণিত। এরই প্রতিধ্বনি করে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলেছেন, ‘ শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে মারাত্মক যে অন্ত্রটি মানুষ আবিষ্কার করেছে তা হচেছ ধুমপান।


Leave a Reply