ওয়র্কি আন্ডার স্টেস

  • 0

ওয়র্কি আন্ডার স্টেস

Category : Health Tips

ওয়র্কি আন্ডার স্টেস

 

অফিসের কাজে অত্যধিক স্ট্রেস শরীর-মনে অসুস্থতার জন্ম দেয়। এই স্ট্রেসের সঙ্গে লড়াই করতে প্রয়োজন ইতিবাচক মানসিকতা। সঙ্গে মেনে চলতে হবে কয়েকটি জরুরি সতর্কতাও।

 

সোহিনীর এখন দম ফেলার ফুসরত নেই। বছরের এই সময়টা ভীষণ কাজের চাপে জর্জরিত থাকে ও । নিজের রুটিন কাজ সামলানোর  সঙ্গে সঙ্গে  অ্যানুয়াল রিপোর্ট বানানো, বাজেট নির্দিষ্ট করার মতো কত কাজই যে ওকে এই এক মাসের মধ্যে করতে হবে, তার ইয়াত্তা নেই। তারপরে ডিপার্টমেন্টের স্টাফদের মধ্যে ছোটখাট ঝুটঝামেলা তো লেগেই আছে।  একা হাতে সব সামলাতে গিয়ে সোহিনী এখন টোটালি ফ্র্যাস্ট্রেটেড। স্ট্রেসের সঙ্গে যুদ্ধ করা এখন আমাদর  দৈনন্দিন রুটিনের অন্তর্গত। ডেডলাইনরে চাপ যেন সব সময়েই আমাদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে। অফিসের স্ট্রেসের সঙ্গে যখন সংসারের চিন্তাও যোগ হয়, তখন শরীর-মন বিপর্যস্ত হতে বাধ্য।  কিন্তু স্ট্রেস বিহীন চাকরি কল্পনা করাও তো আজকের দিনে অসম্ভব।  সেই কারণে স্ট্রেস কাটাবার সহজ উপায়।

 

কী করবেন

  • অফিসে ঢোকার পরপরই একটা রাফ জব লিস্ট তৈরি করে এমন জায়গায় রাখুন যাতে সহজেই চোখ পড়ে। আপনার প্রায়রিটি অনুযায়ী কাজ সারুন।  একেকটা করে কাজ শেষ হওয়ার পর সেটা কেটে দিন।  কোনও শক্ত বা বড় কাজ করার পর নিজেকে একটা ট্রিট দিন।  একটা ছোট্ট বেক নিয়ে বা চকোলেট খেয়ে ভাল কাজটাকে সেলিব্রেট করুন।  এতে কাজের মোটিভেশন বাড়বে।
  • প্রচন্ড চাপের মধ্যে কাজ করার ফলে কলিগদের মধ্যে মতানৈক্য বা অসোন্তোষ দেখা দিতেই পারে। এই রকম পরিস্থিতিতে মাথা গরম না করে কোনও অভিজ্ঞ কর্মী, যাকে সবাই মান্য করেন, তার সাহায্য নিয়ে ব্যাপারটা রফা করার চেষ্টা করুন। যদি দেখেন পরিস্থিতি হাতের বাইরে, তা হলে নিজেকে কিছুক্ষণের জন্য সেই জায়গা থেকে সরিয়ে নিন কারণ ঝগড়াঝাঁটি করে বৃথা শক্তিক্ষয় করলে নিজের চাপই বাড়বে।
  • যখন বুঝতে পারবেন কাজের চাপ খুব বেড়ে উঠছে, তখন একটা পাঁচ-দশ মিনিটের ব্রেক নিন। কোনও বন্ধুকে ফোন করে একটু গল্প করুন বা অফিসের বারান্দা বা অন্য কোনও জায়গায় একটু  হেঁটে নিন।  সঙ্গে আই পড বা ওয়কম্যান থাকলে একটু সুদিং মিউজিক শুনতে পারেন যাতে স্নায়ুর উত্তেজনা কমে আসে। ব্রেকের শেষে এক গ্লাস জল খেয়ে ফ্রেশ হয়ে আবার কাজ করতে বসুন।
  • কাজের যত চাপই থাকুক না কেন, প্রতি তিন ঘন্টা অন্তুর অন্তর আধ ঘন্টা ব্রেক অবশ্যই নিবেন। এই সময়টুকু ফাইল, পরীক্ষার খাতা বা কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে রাখুন। এই সময়ে লাঞ্চ বা টিফিন  ছাড়াও কোনও একটা গোটা ফল বা ড্রাই ফ্রুট খান।  হারিয়ে যাওয়া এনার্জি ফিরে পাবেন।
  • সকালে ঘুম থেকে ওঠারপর এবং রাতে শুতে যাওয়ার আগে প্রাণায়াম করার অভ্যেস গড়ে তুলুন। এতে মন শান্ত থাকবে এবং একাগ্রতা বাড়বে। এ ছাড়াও পুষ্টিকর  খাবার খাওয়া, অ্যালকোহল ও স্মোকিং থেকে দূরে  থাকলে সামগ্রিভাবে সুস্থ  এবং তরতাজা  থাকতে পারবেন। এর প্রতিফলন অফিসের কাজে পড়লে সহজেই চাপের মোকবিলা করতে পারবেন।

 


Leave a Reply