ব্রণের সাথে যুদ্ধ – ব্রণ দূর করার সহজ পদ্ধতি

  • 0

ব্রণের সাথে যুদ্ধ – ব্রণ দূর করার সহজ পদ্ধতি

Tags :

Category : Health Tips

ব্রণের সাথে যুদ্ধ – ব্রণ দূর করার সহজ পদ্ধতি

বয়ঃসন্ধিকালে ব্রণের দ্বারা আক্রান্ত হননি পুরুষ কিম্বা নারী যেই হোননা কেন এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর এর সাথে হরমোনের যোগাযোগ রয়েছে কিন্তু  নিয়মকানুন মেনে চললে এবং সময়মত  চিকিৎসা করালে ব্রণ সেরে যায় ব্রণের সাথে যুদ্ধ করে কিভাবে সেরে উঠেছেন তাই জানাচ্ছেন জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী 

 

তানিয়া আহমেদ

ঘুম থেকে ওঠে আয়নার সামনে যেতেই মেজাজটা গেলো বিগড়ে। ডান গালে ছোট ছোট দুটো দানার মতো দেখা যাচ্ছে। উফ কী ব্যাথা! একদিন পর সেটা বেড়ে আরো বড় হলো। ওদিকে সংখ্যাও বাড়তে থাকলো। ডান গাল থেকে বা গাল। গাল থেকে কপালে। সমস্ত মুখটা ভরে দেখা দিলো লাল দানার মতো ব্রণগুলো। ইস কি বাজে অবস্থা। বাইরে যাই কি করে এ রকম সমস্যা নারী পুরুষ সবারই কমবেশী হয়ে থাকে। আর তা যদি হয় কোনো পরফরমারের তবে তো মহাসংকট। এ রকমই মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন আমাদের মডেল ও টিভি অভিনেত্রী তানিয়া আহমেদ। তানিয়ার কাছ থেকে জানা যাক ব্রণের সাথে যুদ্ধের কথা ব্রণটা আসলে আমার এলার্জিক ব্যাপার। এমন একটা সময় গেছে আমার, যখন মানুষের সামনে যেতে আমার রীতিমতো লজ্ঝা লাগতো। নটিকের শুটিংয়ের সময় মেকআপ দিয়েও সেই উঁচু উঁচু পাহাড়ের মতো ব্রণগুলো ঢাকা যেতো না। আমার। ঐ অবস্থায় যে কটা নটিকে আমি কাজ করেছি প্রত্যকটিতে নিজেকে স্ক্রিনে দেখে মনে হয়েছে ধরে চড় লাগাই। অনেকদিন ভুগেছি এই ব্রণ নিয়ে। ব্রণটা যখন ছিল তখন প্রথমে কিছুদিন আমি হোমিওপ্যাথি ট্রিটমেন্ট করাই। হোমিওপ্যাথি ট্রিটমেন্টে যেকোন অসুখ একদম ভালো হয়ে যায় জানি কিন্তু দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার। যেহেতু আমি পারফর্মিং মিডিয়াতে আছি সেহেতেু অনেক দিন ধরে ট্রিটমেন্ট করালে কাজের ক্ষতি হবে বলে মামার কথা অনুযায়ী এলার্জি সেন্টারে গেলাম। সেখানে ডাক্তার প্রথমে আমাকে হাতের চামড়ায় ছোট ছোট ফুটো করে একটা টেস্ট এলার্জি করলো। কিছু পোলো না । ওদিকে ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তও হতে পারছি না। ডাক্তার আবার আমাকে আরেকটা টেস্ট করালেন। টেস্টটা খুব মজার। পিটের ‍উপর ছোট ছোট ফুটো করে তাতে মেডিসিন ভরিয়ে টেপ দিয়ে ফুটোগুলো আটকে ১৪/১৫ টা প্রডাক্টের উপর যেমন-, রঙ, খাবার ইত্যাদির টেস্ট করলেন ৪৮ ঘন্টা ধরে। ৪৮ ঘন্টা পর ডাক্তার আমার পিঠের সব টেপগুলো খুলে দেখলেন পিঠের একটা সাইড পুরো কালো হয়ে গেছে। এবং টেস্টের রিপোর্ট নিয়ে জানা গেলো আমার খাবারের মধ্যে ‘গমে’ মারাত্মক এলার্জি। এ ছাড়া কাপড়ের কাঁচা রঙে এলার্জি আছে। তবে সেট বেশি নয়। একটা লিকুইড ওষুধ প্রতি রাতে গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ব্রণগুলোর মাথায় লাগাতে বললেন আর যেকোন একটি এ্যান্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট খেতে বললেন। এভাবে আমার যেসব জিনিসে এলার্জি হয় তা এড়িয়ে চলতে থাকলাম। আর ট্যাবলেটগুলো  খেতে থাকলাম। কয়েকদিন পর দেখলাম আমি একদম ব্রণমুক্ত। এখন আমি বেশ আছি। মেকআপ দিয়ে ব্রণ ঢাকার আর কোন বালাই নেই।

অনুলিখন: তাজিন আহমেদ


Leave a Reply