হৃদরোগে নতুন জেল

  • 0

হৃদরোগে নতুন জেল

হৃদরোগ এবং হৃদরোগে নতুন জেল

মানুষের দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন হৃৎপিন্ডের কার্যক্ষমতা ও রক্তনালীর সুরক্ষা। যেসব রোগীর রক্তনালীতে রক্ত জমাট বেধে যায় ডাক্তার তাদের জন্য করোনারি বাইপাস সার্জারির আশ্রয় নেন। কিন্তু যেসব রোগীর রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাধে তাদের আবার একই রোগের আক্রমন ঘটার আশঙ্কা থাকে। হৃদপিন্ডের রক্ত নালীর প্রসারতা বাড়ানোর জন্য চিকিৎসকরা বেলুন এনজিওপ্যাথি করেন। এই পদ্ধতিতে জমাট নালীতে একটি থলি পুরে দেওয়া হয়। পরে থালাটি বেলুনের মতো ফুলিয়ে দিলে রক্তনালীটিও ফুলে ওঠে। তবে এই প্রক্রিয়া রক্তনালীর ক্ষতি করে। এতে রক্তনালীর ভেতরের দিকের কোষ ঘষে তুলে ফেলে। আমাদের হাত পায়ের ত্বক ঘষা লেগে গিয়ে যা হয় এক্ষেত্রে তাই হয়। দেহে ক্ষত মেরামত করার জন্য নিরাময় কোষ তৈরি করে। রক্তনালীর প্রসারতা বেশি নয়। কাজেই ওই মেরামত করার জন্য যে কোষরাজি তৈরি হয় সেগুলোই আবার রক্তনালীকে বন্ধ করে দিতে পারে। এতে রোগীর অবস্থা আগের চেয়ে সংকটজনক হতে পারে। এম আইবিটির রবার্ট রোজেনবার্গ ও তার সহকর্মীরা জিনের কার্যক্রম বন্ধ করতে পারে এমন অনুরাজি দিয়ে এক বিশেষ জেল তৈরি করেছেন। এই জেল ক্ষতস্থানে প্রয়োগ করে দেখা গেছে ওই জেল ক্ষত স্থানে শক্ত হয়ে বসে যায় এবং ক্ষতস্থানে এন্টিজেন এজেন্টের স্বচ্ছ আস্তরণ তৈরি হতে পারে না। এন্টিজেল এজেন্ট কোষের জেনেটিক ইনস্ট্রাকশন বাতিল করে দিয়ে এই অসাধ্য সাধন করে। প্রাণী দেহে এ পদ্ধতির প্রয়োগ এই প্রথম।


Leave a Reply